অগ্ন্যুৎপাতের পূর্বাভাস

অগ্ন্যুৎপাতের পূর্বাভাস 
।।

ইরানের আলেম মরায় ভারতে যেভাবে কিছু লোক ফুঁসছে, তার সুযোগ কংগ্রেস হাতছাড়া করবে বলে মনে হয় না। দেশের সরকার নিশ্চয়ই যুদ্ধের আভাস পেয়েছিল, তাহলে ঠিক আগেটায় UGC regulation নিয়ে গৃহযুদ্ধ বাধাতে গেল কেন?

ভেবেছিলাম লাইভ করব, কিন্তু জরুরি সতর্কতা লিখেই দিয়ে রাখি। সংরক্ষণের বিরুদ্ধে ও বিশেষ আইনের অপব্যবহার নিয়ে সাধারণ অসংরক্ষিত শ্রেণীর ক্ষোভ খুবই সঙ্গত। কিন্তু ইউজিসি-র বিতর্কিত নির্দেশিকায় সুপ্রিম কোর্ট হস্তক্ষেপ করে স্টে অর্ডার দেওয়ার পরেও যেভাবে মানুষ ফেটে পড়েছে, তাতে মনে হচ্ছে নেপথ্যে তাদের তাতানোর কাজটাও করা হচ্ছে সেইসব রাজনৈতিক শিবির থেকে, যাদের সাফল্যের জন্য হিন্দু একতায় ফাটল ধরানো জরুরি। তবে এই ঐক্য প্রতিষ্ঠার জন্য চিরকাল সংরক্ষণ বহির্ভূত শ্রেণীকেই কেন আত্মত্যাগ করতে হবে, সেটাও মস্ত প্রশ্ন। তাই অসন্তোষ প্রকাশ করাটাও জরুরি ছিল। কিন্তু ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শান্ত থাকাটাই বিধেয়।

এখন আবার কিছু কিছু ভিডিও দেখে মনে হচ্ছে ভারতের কিছু মানুষের কাছে এটাই রাষ্ট্রীয় শোক, কিংবা জমায়েত ও মিছিলটা যে ভারতে, তা দেখে ধরা যাচ্ছে না। 

আমেরিকার আকাশ হামলার ঠিক আগের দিন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ইজ়রায়েল সফর আর তার মাসখানেক আগে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুটিনের হাতে ভগবদ্গীতা দেওয়ার মধ্যে মহাকালের কোনও ইঙ্গিতের সমাপতন আছে কিনা জানি না, তবে শুনেছিলাম তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হবে আরেকটি ক্রুসেড -- একটি আব্রাহিমিক মতবাদের সঙ্গে আরেকটির ধর্মযুদ্ধ। আপাতত জুডাইজ়ম ও ক্রিশ্চিয়ানিজ়মের একদিকে বিপরীতে অবিমিশ্র ঘৃণাহিংস্রতা।


দর্পণা রায়


এই সংকটকে কাজে লাগিয়ে পরিকল্পিত দাঙ্গার আশঙ্কা অমূলক নয়। কথাগুলো ফেসবুক পোস্ট রূপে লিখেও সরাসরি না দিয়ে শেষে ব্লগে দিতে হল।

Post a Comment

Previous Post Next Post